ছাত্রলীগ নেতার পৈশাচিক হামলায় মারাত্মক আহত শিক্ষার্থী খাদিজা এখন তার বাবাকে চিনতে পারছে। গতকাল মঙ্গলবার দেশের শীর্ষস্থানীয় কিছু গণমাধ্যমে এমন খবরই প্রকাশ হয়। ‘কিন্তু প্রকৃতপক্ষে খাদিজা কাউকেই চিনিতে পারছে না। এমনকি আগামীতে খাদিজা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে কি না তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে।’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে খাদিজাকে খুব কাছে থেকে দেখা হাসপাতালের একটি সূত্র ‘বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ’কে এমনটাই জানায়।
সূত্র আরো জানায়, ‘খাদিজা হালকা কথা বলতে পারলেও, তার আচরণ স্বাভাবিক নয়। বাচ্চাদের মতো আঙ্গুলের ইশারায় ডাকে। কাউকেই চিনতে পারে না। খাদিজার মাথার আঘাত মারাত্মক ছিল। মস্তিস্কের জখম’টাই তাকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে গিয়েছিল। এখন যেই অবস্থা, তাতে বলা যায় সবই স্রষ্টার হাতে।’
সূত্র আরো জানায়, ‘খাদিজা হালকা কথা বলতে পারলেও, তার আচরণ স্বাভাবিক নয়। বাচ্চাদের মতো আঙ্গুলের ইশারায় ডাকে। কাউকেই চিনতে পারে না। খাদিজার মাথার আঘাত মারাত্মক ছিল। মস্তিস্কের জখম’টাই তাকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে গিয়েছিল। এখন যেই অবস্থা, তাতে বলা যায় সবই স্রষ্টার হাতে।’
সূত্রের বর্ণনা মতে, ‘খাদিজার মাথা, কান ও হাতে আঘাত বেশি ছিল। এখন এক হাত নাড়তে পারছে, অন্য হাতটি এখনো অবশ। কান আর মাথার অবস্থা বলে বুঝানো সম্ভব না।’ জীবন শঙ্কামুক্ত হলেও খাদিজা স্বাভাবিক স্মৃতি নিয়ে জীবনে ফিরতে পারবে কি না তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে বলে জানা যায়।’
এদিকে খাদিজার চাচা ফয়জুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘ও (খাদিজা) আগের মতই আছে’। বাবাকে চিনতে পারছে খাদিজা- এমন খবরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিস্মিত সুরে বলেন, ‘কে বলেছে আপনাকে!’ গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের কথা জানালে ফয়জুল ইসলাম বলেন, ‘এটা সত্য নয়। আপনারা কেন এমন খবর প্রকাশ করেন। ও (খাদিজা) ভাল নেই।’
প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার দেশের কিছু প্রভাবশালী গণমাধ্যম “বাবাকে ‘আব্বু’ ডাকল খাদিজা, মাকে ডাকল ‘আন্টি” এমন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে।
উল্লেখ, গত ৩ অক্টোবর প্রেম প্রত্যাখ্যান করায় সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম খাদিজাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। ৪ অক্টোবর থেকে এখনো পর্যন্ত রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে ‘খাদিজা’।
